1. admin@bbcnews24.news : admin :
অজ্ঞাত লাশ শনাক্ত ও রহস্য উদঘাটন, স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী গ্রেপ্তার - BBC NEWS 24
মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বকশীগঞ্জ বিপুল সংখ্যক কর্মীসমর্থক নিয়ে লিফলেট বিতরণ করেন -মেয়র নজরুল পরিকল্পনা মন্ত্রীর নির্দেশে নান্দাইলে যানজট নিরসনে উচ্ছেদ হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হালুয়াঘাটে আ.লীগ নেতাকর্মীদের সাথে আনন্দ উৎসব ও মতবিনিময় মেলান্দহে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড আয়োজনে মতবিনিয়ন সভা অনুষ্ঠিত হালুয়াঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার কামরুজ্জামান এর মতবিনিময় ভালুকায় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের অফিসে হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ মিরসরাইয়ে দুই ইটভাটাকে সাড়ে ৯ লাখ টাকা জরিমানা ভালো বই যে কোন সময় যে কোন মানুষকে আমূল বদল দিতে পারে : আর.সি.পাল শেরপুরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১৯ শিক্ষককে অব্যাহতি, ২০ পরীক্ষার্থী বহিস্কার

অজ্ঞাত লাশ শনাক্ত ও রহস্য উদঘাটন, স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী গ্রেপ্তার

বিবিসি নিউজ ২৪ ডেস্ক
  • সময় : রবিবার, ৬ জুন, ২০২১
  • ৩১৮ বার পঠিত

শামীম হোসেন,গুরদাসপুর প্রতিনিধিঃ নাটোরের গুরুদাসপুরে পাটক্ষেত থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত মহিলার লাশ শনাক্ত করে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার খুনিকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। রবিবার দুপুর ১২টায় গুরুদাসপুর থানায় প্রেসব্রিফিংয়ে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. জামিল আকতার (সিংড়া সার্কেল) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, অজ্ঞাত মহিলার নাম রাখী খাতুন (২৬)। তিনি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার তালধারি গ্রামের মসলেম উদ্দিনের মেয়ে। বছর দেড়েক আগে রাজশাহীর তানোর উপজেলার চান্দুরিয়া গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে মিলন ইকবালের (৩৪) সাথে তার বিয়ে হয়। রাখীর ২য় স্বামী মিলন এবং মিলনেরও ২য় স্ত্রী রাখী। মিলন ঢাকার ডিবিএল গার্মেন্টে প্রতিমাসে ১৪ হাজার টাকা বেতনের চাকরি করেন। তারমধ্যে ১০ হাজার টাকা রাখীকে দিতেন। রাখী বেহিসেবী জীবনযাপন করায় মাসের মাঝামাঝিতে আরো টাকার জন্য চাপ দিতো। এ কারণে ৩য় স্ত্রী তাহমিনাকে ঠিকভাবে দেখাশোনা করতে পারতো না মিলন। রাখীর বেপরোয়া চলায় বিষিয়ে ওঠেন তিনি। একপর্যায়ে ৩১ মে সন্ধ্যায় গাজীপুরের শ্রীপুর থেকে স্ত্রী রাখীকে নিয়ে বাসযোগে এক আত্মীয়ের বাড়ীতে বেড়াতে আসার নাম করে রওনা দেন। বাস থেকে রাত ১টার দিকে গুরুদাসপুর মহাসড়কের ১০ নম্বর ব্রিজে নামেন তারা। পরে কৌশলে ব্রিজের পাশেই পাটক্ষেতে নিয়ে গিয়ে রাখীকে হাতুরি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায় মিলন।

হত্যাকান্ডের পরদিন রাত ১টার দিকে রাখীর লাশ উদ্ধার করে গুরুদাসপুর থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। তাৎক্ষনিকভাবে নাটোরের পিবিআই ও সিআইডি ক্রাইম পুলিশ নিহতের আঙ্গুলের ছাপ ট্রেস করে জানতে পারে তার বাড়ী গোদাগাড়ী উপজেলায়। খবর পেয়ে রাখীর বোন মুরসালীন ও পারভীন লাশ শনাক্ত করেন।

গুরুদাসপুর থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মিলন ইকবালের মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং করে ঠিকানা নিশ্চিত হয়ে ৩য় স্ত্রী তাহমিনার বাবার বাড়ী গোদাগাড়ী উপজেলার পাকড়ীগ্রাম থেকে শনিবার তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার অভিযান চালান ওসি (তদন্ত) মোনোয়ারুল ইসলাম। নিহত রাখীর ভাই মোশারফ হোসেন গুরুদাসপুর থানায় মিলনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। তাকে নাটোর কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ বিবিসি নিউজ ২৪
Theme Customized BY Shakil IT Park