1. admin@bbcnews24.news : admin :
ইসলামপুরে আগের মতো ঘোরে না কুমারদের চাকা - BBC NEWS 24
বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৪:২০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
একজন কর্মদক্ষ মানবিক পিআইও -মেহেদী হাসান টিটু ইসলামপুরে এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে প্রশ্নফাঁস ঘটনায় দুই কক্ষ পরিদর্শকে অব্যাহতি চট্টগ্রামে বিএমইউজে’র আহ্বায়ক কমিটি গঠন মেলান্দহে দেবের ছড়া কারিগরি স্কুল এন্ড বি এম কলেজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ইসলামপুরে মাদক নেশার ইনজেকশন সহ আটক ১ মেলান্দহে এক লম্পটের পাচঁ বছরে চার বিয়ে ও তালাক ভালুকায় বিএনপির লিফলেট বিতরণে পুলিশের বাধা ভালুকায় আরসিসি গার্ডার ব্রীজ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন যুবলীগ কর্মী তুর্কীকে সাজানো অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন মাহবুব পলাশ এর ‘ কবির ছাইভস্ম’   একটি উত্তরাধুনিক শব্দের যুথবদ্ধ ব্যঞ্জনা

ইসলামপুরে আগের মতো ঘোরে না কুমারদের চাকা

বিবিসি নিউজ ২৪ ডেস্ক
  • সময় : বুধবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৫৭ বার পঠিত

জামালপুর প্রতিনিধিঃ জামালপুরের ইসলামপুরে মৃৎশিল্পের জন্য এক সময় রৌহারকান্দার কুমার পাড়া বেশ সুনাম ছিল।কিন্তুু আধুনিকতার ছোঁয়া ও সময় পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বাজারে প্লাস্টিক, এ্যালুমিনিয়াম সামগ্রীর ভিড়ে আজ বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী এই শিল্প। তাই বংশানুক্রমে গড়ে ওঠা মৃৎশিল্পের সঙ্গে জড়িত কুমার বা পালরা এ পেশা নিয়ে চিন্তিত।ইতোমধ্যে অনেকেই বাপ-দাদার পেশাকে ছেড়ে দিয়ে অন্য পেশা কে বেছে নিয়েছেন।অনেকে আবার পূর্বপুরুষের ঐতিহ্য এখনো ধরে রেখেছেন। রৌহারকান্দা পালপাড়ার বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অসংখ্য কুটিরে নয়নাভিরাম মৃৎশিল্পীদের বাসস্থান।একসময় এই গ্রামগুলো মৃৎশিল্পের জন্য খুবই বিখ্যাত ছিল।দেশের বিভিন্ন স্থানের মতো রৌহারকান্দা হারিয়ে যেতে বসেছে মৃৎশিল্পী।বদলে যাচ্ছে কুমারপাড়ার পুরোনো দৃশ্য।এক সময় এ শিল্পের কারিগররা দিন-রাত ব্যস্ত সময় পাড় করতেন কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে কুমারপাড়ার চাকা আজ আর তেমনটি ঘোরে না।মাটির পুতুল, হাঁড়ি-পাতিল, সরা, বাসন, কলসি, বদনার কদর প্রায়ই শূন্যের কোটায়।ইসলামপুর উপজেলার পাথর্শী ইউনিয়নের কুমারপাড়া এলাকার খোকন পাল বলেন, “আগের মতো আর মাটির জিনিসপত্রের চাহিদা নাই, ব্যবসাও নাই।খুব কষ্টে দিন যাচ্ছে। তবুও বাপ-দাদার পেশা, তাই করতে হচ্ছে। অন্য কাজ তো করতে পারি না।”যতীন্দ্র পাল নামের একজন জানান, আগের মতো মাটির তৈরি জিনিস পত্রের আর বেচা-কেনা নেই।আর্থিকভাবে তারা সমস্যায় আছেন।তবুও ঐতিহ্য ও বাপ-দাদার পেশা ধরে রাখতে কাজ করছেন।সরকারি সহায়তা না পেলে গ্রাম-বাংলার পুরোনো এই ঐতিহ্য ধরে রাখা যাবে না।তাই এই শিল্পকে বাঁচাতে সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন তিনি।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সিরাজুল ইসলাম মানবাধিকার প্রতিদিন কে বলেন,, বিষয়টা আমি তেমন একটা অবগত নই, “মৃৎশিল্প টিকিয়ে রাখতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এই ব্যাপারে সাথে কথা বলেন।মৃৎশিল্প কারিগররা যদি স্বল্প সুদে ঋণগ্রহণ করতে চায় তাহলে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করলে সেটার ব্যবস্থা করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ বিবিসি নিউজ ২৪
Theme Customized BY Shakil IT Park