1. admin@bbcnews24.news : admin :
দুমকিতে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রাম পুলিশকে মারধরের অভিযোগ - BBC NEWS 24
রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ভালুকা মাদক নির্মুলে করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা ডা: আবেদ আলী স্মৃতি সাত গ্রাম ঈদগাহ্ মাঠে ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত নান্দাইলে নিরীহ ব্যাক্তির দোকানপাটে প্রতিপক্ষের হামলা- লক্ষাধিক টাকা ছিনতাই ঝগড়ারচর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল  শেরপুরে খোশ মুহাম্মদ চৌধুরী ফাউন্ডেশনের ঈদ ফুডপ্যাক বিতরণ পানিতে ডুবে মনো গ্রুপের এমডি এ কে এম আবুল বাশারের মৃত্যু আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের মতবিনিময় সভা ভালুকায় ৮৫ হাজার পরিবারকে ঈদ উপহার দিলেন আওয়ামীলীগ নেতা চরপুটিমারী ইউনিয়ন বাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা নাহিদ হাসান নিরব জামালপুরে সার ব্যবসায়ী নওশের আলীর বিচার ও ফাঁসির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

দুমকিতে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রাম পুলিশকে মারধরের অভিযোগ

বিবিসি নিউজ ২৪ ডেস্ক
  • সময় : মঙ্গলবার, ১১ মে, ২০২১
  • ৩০৭ বার পঠিত

মোঃইমরান হোসেন,(পটুয়াখালী প্রতিনিধি)ঃ পটুয়াখালীর দুমকিতে গ্রাম পুলিশ মোঃ আনোয়ার হোসেন (৫৫) কে মারধরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম ছালাম মৃধার বিরুদ্ধে । গত (৯ মে) রবিবার দুপুর ১২ টার সময় ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এ মারধরের ঘটনা ঘটে।

গ্রাম পুলিশ আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী মোসাঃ ছালমা বেগম বলেন, গত রবিবার শেখ হাসিনার খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি ভিজিএফ এর নগদ অর্থ বিতরণ কালে ইউনিয়ন পরিষদের অনেক মানুষের সমাগম হয়। এসময় লোকজনের ছুটাছুটি সামাল দিতে না পারায় ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম ছালাম মৃধা আমার স্বামীকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটাতে থাকে। পরে আহত অবস্থায় আমার স্বামীকে বাসায় নিয়ে আসে লোকজন। অসুস্থ বেশি মনে হলে সোমবার বিকালে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয় তাকে।

তিনি আরো বলেন, চেয়ারম্যান ছালাম মৃধার সাথে আমার স্বামীর খুব ভাল সম্পর্ক, কিন্তুু তারপরও এই সামান্য বিষয় নিয়ে তাকে লাঠি দিয়ে পিটানোর কি দরকার ছিলো। ইউনিয়ন পরিষদের কাজ ছাড়াও তো তার অনেক কাজ করে দেয় তিনি।

এছাড়াও জানা গেছে, গ্রাম পুলিশকে মারধরের বিষয়টি যখন গণমাধ্যম কর্মীরা জানতে পারে তখন (১০ মে) সোমবার সন্ধ্যার পর হাসপাতালে গিয়ে গ্রাম পুলিশের সাথে দেখা করে চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম ছালাম মৃধা। পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ৪ ঘন্টা পর চিকিৎসক নাম না কাটতে চাইলেও কিছুক্ষন পরই গ্রাম পুলিশ আনোয়ার হোসেনের ভাই রাকিবুল হাসপাতাল থেকে তার নাম কেটে বাসায় নিয়ে যান।

জানা গেছে, ঐ দিন দুপুরে আরো দুজন গ্রাম-পুলিশকে মারধর করেন ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম ছালাম মৃধা। তারা হলেন, মোঃ নাজেম আলী এবং মামুন হাওলাদার।

এবিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম ছালাম মৃধা বলেন, আমি কেন গ্রাম পুলিশকে মারধর করি নাই। টাকা বিতরণ কালে ওখানে শতশত মানুষ উপস্থিত ছিলো তারা কেউ বলতে পারবে না আমি আনোয়ারকে মারধর করছি। বিষয়টি রাজনৈতিক ভাবে আমাকে হেয় করার জন্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ বিবিসি নিউজ ২৪
Theme Customized BY Shakil IT Park