1. admin@bbcnews24.news : admin :
নদীকে খাল বানানোর নেপথ্যে যারা ? - BBC NEWS 24
রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ভালুকা মাদক নির্মুলে করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা ডা: আবেদ আলী স্মৃতি সাত গ্রাম ঈদগাহ্ মাঠে ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত নান্দাইলে নিরীহ ব্যাক্তির দোকানপাটে প্রতিপক্ষের হামলা- লক্ষাধিক টাকা ছিনতাই ঝগড়ারচর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল  শেরপুরে খোশ মুহাম্মদ চৌধুরী ফাউন্ডেশনের ঈদ ফুডপ্যাক বিতরণ পানিতে ডুবে মনো গ্রুপের এমডি এ কে এম আবুল বাশারের মৃত্যু আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের মতবিনিময় সভা ভালুকায় ৮৫ হাজার পরিবারকে ঈদ উপহার দিলেন আওয়ামীলীগ নেতা চরপুটিমারী ইউনিয়ন বাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা নাহিদ হাসান নিরব জামালপুরে সার ব্যবসায়ী নওশের আলীর বিচার ও ফাঁসির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

নদীকে খাল বানানোর নেপথ্যে যারা ?

বিবিসি নিউজ ২৪ ডেস্ক
  • সময় : মঙ্গলবার, ১৮ মে, ২০২১
  • ৭৪১ বার পঠিত

মাঈন উদ্দিন সরকার রয়েলঃ কেন্দুয়ায় নদীর ভেতর খাল! সেই খাল খননের কাজ চলছে। খাল খননে মোট বরাদ্দ ২ কোটি ৮ লাখ। জাইকার অর্থায়নে বাস্তবায়নে রয়েছে এলজিইডি। প্রকল্পে বেতাই নদীকে খাল দেখানো হয়েছে। সার্ভেয়ারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ১১ কিলোমিটার দৈর্ঘের এ প্রকল্পটিতে ৩ ক্যাটাগরীতে খনন কাজ চলছে। বিভিন্ন স্থানে উপর অংশে ৩০ ফুট নিচের অংশে ১৩ ফুট যথাক্রমে উপরে ৪৪ ফুট নিচে ২৬ ফুট,উপরে ২৫ ফুট নিচে ১০ ফুট প্রস্থ এবং খালের তলায় ৫ ফুট গভীর।

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার সান্দিকোণা ও রোয়াইলবাড়ি আমতলা ইউনিয়নের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া বেতাই নদীতে খাল খননের প্রকল্প গ্রহণ করায় ফুঁসে উঠেছে স্থানীয় সামাজিক-সচেতন মহল।

স্থানীয় জনতা ও সচেতন মহলের প্রশ্ন নদীকে খাল বানানো নেপথ্যে কে বা কারা জড়িত? এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে জানা গেছে -অনেক দিন আগেই পরিকল্পিত ভাবে বেতাই নদীকে খাল দেখিয়ে বেতাই খাল খনন সমবায় সমিতি গঠন করা হয়েছে। সমবায় থেকে নিবন্ধনও নিয়েছে তারা। এ বিষয়ে কেন্দুয়া উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা কামরুজ্জামানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান-এলজিইডির নিবন্ধন ভুক্ত প্রকল্পের সমিতি সুপারিশক্রমে নিবন্ধন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন- এ বিষয়ে মন্জুরুল হক টিটন ভালো বলতে পারবে।

পরে সমবায় অফিসের মন্জুরুল হক টিটনকে এ বিষয়ে মুঠোফোনে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান- তিন চার মাস আগে বেতাই খাল খনন সমবায় সমিতিটি নিবন্ধন হয়েছে। এর সভাপতি ইসলাম উদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান কাজল অন্যান্য সদস্যদের নাম দেখে বলতে পারবো।

পূর্ব পরিকল্পিত ভাবেই বেতাই নদীর পরিবর্তে বেতাই খাল খনন সমবায় সমিতি গঠন করে প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে কেন? মুঠোফোনে এমন প্রশ্ন করলে প্রকল্পের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান কাজল জানান-বৃটিশ আমলের নদী এটি। কিছু জায়গায় নদী,কিছু জায়গায় খাল। কোথাও সুতি,কোথাও রাজী,কোথাও বেতাই। এক নং খাস খতিয়ান বিআরএস এ শ্রেণী নদী উল্লেখ রয়েছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন- নকশা ও বিআরএসে নদী উল্লেখের বিষয়টি তাঁর জানা নেই।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে প্রশ্ন করলে তিনি জানান- এ প্রকল্পটি আমাদের নয়। জাইকার অর্থায়নে এলজিইডি বাস্তবায়ন করছে। আমাদের দশটি প্রকল্প ছিল তা বাস্তবায়ন হয়ে গেছে।

এদিকে সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে ‘বেতাই নদী আমার অহংকার আমার ইতিহাস আমার ঐতিহ্য একে খাল বানানো চলবে না’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ‘হেল্পলাইন কেন্দুয়া’ নামে একটি সংগঠন।

মানববন্ধন কর্মসুচিতে অংশ নেয় আরো কয়েকটি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এসময় বক্তব্য রাখেন, হেল্পলাইন কেন্দুয়া এর এডমিন শাহ্ আলী তৌফিক রিপন, ইলিয়াস ইবনে মতিউর, হৃদয়ে কেন্দুয়া গ্রুপের এডমিন এন.এম.নভেলসহ আরো কয়েকজন।

এসময় বক্তরা বলেন, স্থানীয় একটি স্বার্থান্বেষী মহল ঐতিহ্যবাহী বেতাই নদীর নাম পরিবর্তন করে খাল খননের প্রকল্প এনে নামকাওয়াস্তে মাটি খেটে প্রকল্পের সিংহভাগ টাকা আত্মসাতের পায়তারা চালাচ্ছে।

বেতাই নদীটি উপজেলার একটি ঐতিহ্যের নাম। আমরা এই নামটি বিলুপ্ত হতে দেব না। প্রকল্প যদি হয় নদী খননের প্রকল্প করতে হবে। অন্যতায় আমরা আরো কঠোর কর্মসূচি দেব।

এদিকে কেন্দুয়া উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, ২০২০-২০২১ অর্থবছরে খাল ও পুকুর খনন প্রকল্পের আওতায় বেতাই নদীতে ১৬টি প্যাকেজে ১১ কিলোমিটার বেতাই খাল খননের প্রকল্প গ্রহণ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। ২ কোটি ৮ লাখ টাকা ব্যায়ে এ প্রকল্পের খনন কাজটি বাস্তবায়ন করছে স্থানীয় ‘বেতাই খাল খনন সমিতি’ নামে একটি সংগঠন।

সংগঠনটির বিরুদ্ধে খননকাজেও নিয়ম-নীতি তোয়াক্কা করা হয়নি বলেও অভিযোগ করেছেন মানববন্ধনকারীরা।

এব্যাপারে কেন্দুয়া প্রকৌশলী জাকির হাসান বলেন, প্রকল্প কমিটি প্রকল্পের ৭০% টাকা উত্তোলন করেছে। বাকী টাকা এখনো উত্তোলনের বাকী। এটি যে নদী তা আমাদের জানা ছিল না। আর কেউ বলেনি। খননকাজ এখনো শেষ হয়নি। আরো কিছু স্থানে খননকাজ বাকি রয়েছে। নদী আর খালের নামের বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষে সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ বিবিসি নিউজ ২৪
Theme Customized BY Shakil IT Park