1. admin@bbcnews24.news : admin :
মেলান্দহে বাজারে ৭০ টাকার নিচে মিলছে না কোনো সবজি - BBC NEWS 24
রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০১:০২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ভালুকা মাদক নির্মুলে করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা ডা: আবেদ আলী স্মৃতি সাত গ্রাম ঈদগাহ্ মাঠে ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত নান্দাইলে নিরীহ ব্যাক্তির দোকানপাটে প্রতিপক্ষের হামলা- লক্ষাধিক টাকা ছিনতাই ঝগড়ারচর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল  শেরপুরে খোশ মুহাম্মদ চৌধুরী ফাউন্ডেশনের ঈদ ফুডপ্যাক বিতরণ পানিতে ডুবে মনো গ্রুপের এমডি এ কে এম আবুল বাশারের মৃত্যু আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের মতবিনিময় সভা ভালুকায় ৮৫ হাজার পরিবারকে ঈদ উপহার দিলেন আওয়ামীলীগ নেতা চরপুটিমারী ইউনিয়ন বাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা নাহিদ হাসান নিরব জামালপুরে সার ব্যবসায়ী নওশের আলীর বিচার ও ফাঁসির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

মেলান্দহে বাজারে ৭০ টাকার নিচে মিলছে না কোনো সবজি

বিবিসি নিউজ ২৪ ডেস্ক
  • সময় : রবিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১১০ বার পঠিত

বাকিরুল ইসলাম, জামালপুর প্রতিনিধি:জামালপুরে মেলান্দহে বাজারে চাল, ডাল, তেল, ব্রয়লার মুরগি, চিনি, লবণসহ সব পণ্যই বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। সেই সঙ্গে মাছ-মাংস এবং পেঁয়াজ, আলুসহ সব ধরনের সবজিরও বেড়েছে দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে বেশির ভাগ সবজি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।রবিবার (২২ অক্টোবর) মেলান্দহ বাজারে , হাজরাবাড়ি বাজারে, মাহমুদপুর বাজারে, মালঞ্চ বাজারে, চরপলিশা বাজারে, ভাবকি বাজারে, ঝাউগড়া বাজারে, ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিকেজি বেগুন ৭০ থেকে ৯০ টাকা, কাঁচামরিচ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, করলা ৯০ থেকে ১০০ টাকা,ঢেঁড়স-পটোল-চিচিঙা-ঝিঙা-কাঁকরোল ৮০ টাকা, শিম ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, কচুরমুখী ৯০ থেকে ১০০ টাকা, কপি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং গাজর ও টমেটো ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।ব্যবসায়ীরা বলছেন, সম্প্রতি সারাদেশে টানা বৃষ্টিতে সবজি ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ঢাকার বাজারগুলোতে সরবরাহ কমে গেছে। এতে সবজির দাম বেড়ে গেছে।পাইকারি বিক্রেতারা জানান, সম্প্রতি ভারী বর্ষণে ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, বগুড়া, যশোর ও কুষ্টিয়ার আশপাশের সবজি ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব স্থান থেকে রাজধানীতে বেশির ভাগ সবজি আসে।এদিকে বাজারে মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকা করে। যা এক সপ্তাহ আগে ১২০ টাকা ছিল। নতুন দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকায়। যা এক সপ্তাহ আগে ২২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আমদানি করা আদা মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ৩৩০ টাকা। যা আগে ২০০ থেকে ৩২০ টাকা ছিল।ব্রয়লার মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায়। পাশাপাশি প্রতি কেজি সোনালি জাতের মুরগির বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকা দরে।দেশি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা। আর প্রতি কেজি গরুর মাংস ৮০০ ও খাসির মাংস ১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া পাঙ্গাশ, চাষের কই ও তেলাপিয়া মাছের কেজি ১৬০ থেকে ২০০ টাকা। প্রতি কেজি রুই, কাতলা, কালিবাউশ ও মৃগেল বিক্রি হচ্ছে আকারভেদে ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকায়।সুজন নামে এক ক্রেতা বলেন, বাজারে প্রত্যেকটি পণ্যের দাম অনেক বেশি। ৭০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই। পাশাপাশি মাছ-মাংসের দামও অনেক। তাই, সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।আনোয়ারুল নামে আরেক ক্রেতা বলেন, বাজারে সব জিনিসের দাম বেশি। নির্ধারিত বেতন দিয়ে সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে। তাই বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অনুরোধ জানাচ্ছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ বিবিসি নিউজ ২৪
Theme Customized BY Shakil IT Park