1. admin@bbcnews24.news : admin :
রাত দিন তাদের কাছে গামই সঙ্গী তারা যেন ফুটপাতে একটি পরিবার - BBC NEWS 24
শনিবার, ২৫ জুন ২০২২, ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাকলিয়ায় বাড়ীর ছাদ থেকে পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু নান্দাইলে প্রতিবন্ধী রিমার নিকট হুইল চেয়ার ও উপহার সামগ্রী হস্তান্তর রেল পোষ্য সোসাইটি আইনি নোটিশ দিল রেল কতৃপক্ষকে ব্রহ্মপুত্র ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে চেয়ারম্যান – সুরুজ মাষ্টার মিরসরাই সার্কেল এএসপি লাবীব আবদুল্লাহর নেতৃত্বে সাঁড়াশি অভিযান ইয়াবা সহ আটক ৩ জাতিকে সুস্থ রাখতে ধূমপান ও তামাকমুক্ত দেশ গড়তে হবে : অতি.সচিব নগরীতে ট্রাকের ধাক্কায় মুক্তিযোদ্ধা আলী হোসেন আহত পরিত্যক্ত মুক্তিযোদ্ধা ভবন পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক মমিনুর রহমান পানিবন্দীদের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণে পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ

রাত দিন তাদের কাছে গামই সঙ্গী তারা যেন ফুটপাতে একটি পরিবার

বিবিসি নিউজ ২৪ ডেস্ক
  • সময় : মঙ্গলবার, ২১ জুন, ২০২২
  • ১৯ বার পঠিত

কে এম রাজীব : নগরীতে ড্যান্ডি (গাম) নেশায় আসক্ত হয়ে পড়েছে পথশিশুরা যেখানে রয়েছে কন্যা শিশুরাও। যাদের বয়স ১০/১৫ বছরের মধ্য সীমাবদ্ধ। এই বয়সে তাদের বই খাতা হাতে নিয়ে স্কুলে যাওয়ার কথা। কিন্তু তারা বই খাতার বদলে গাম আর পলিথিন নিয়ে ড্যান্ডি নেশায় আসক্ত হয়ে নগরীর ফুটপাত গুলোতে অবস্থান নিয়েছে। তারা এখন নিশ্চিত অন্ধকারের পথের অভিযাত্রী। এসব পথ শিশুরা সাময়িক সুখে’র প্রত্যাশায় দিনদিন অন্ধকারের চোরাবালিতে হারিয়ে যাচ্ছে। জরাজীর্ণ হয়ে পড়ছে ওদের জীবন। রাত দিন তাদের কাছে গামই সঙ্গী তারা যেন ফুটপাতে একটি পরিবার। মাদক বহনের ক্ষেত্রে হাতিয়ার হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে এসব শিশু। এর ফলে তারা চুরি ছিনতাইয়ে মতো বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ছে। এদেরকে সুপথে ফিরিয়ে না আনলে বাড়বে অপরাধ। ক্ষতিগ্রস্ত হবে সমাজ ও দেশ।

সরজমিনে দেখা যায়, সন্ধ্যা হতেই নগরীর কোনো বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন কিংবা সড়কের ফুটপাত গুলোতে দেখা মেলে গাম সেবন অবস্থায় এসব পথশিশুদের। তেমনি চোখে পড়ে চট্টগ্রাম নগরীর জনবহুল এলাকা আন্দরকিল্লাস্থ নগর ভবনের সামনে পথশিশুরা বসে বসে কেউবা সেবন করছে, কেউবা ঝিমুচ্ছে আবার কেউ কেউ মুখ ফিরিয়ে নিয়ে পলিথিনে শ্বাস নিতে মগ্ন
ড্যান্ডি নামক এই নেশাদ্রব্য। শুধু রাতে নয় দিনেও এসব জুতা কিংবা ফোমে ব্যবহৃত সলিউশন (গাম) পলিথিনে ভরে কিছুক্ষণ পরপর মুখের সামনে নিয়ে শ্বাস টেনে নেশা করে তারা। তবে এই গাম নিষিদ্ধ কোনো বস্তু না হওয়ায় এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছে না বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

এবিষয়ে চট্টগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা তপন শর্মা
জানান, এসব পথশিশুদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব নয় বলে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি জুতার আঠা নিষিদ্ধ কোনো বস্তু নয়। এ কারণে এ বিষয়ে কিছু করতেও পারছি না। এটি একটি নতুন নেশা। শুধু চট্টগ্রাম অনেক পথশিশু এই নেশায় জড়িয়ে পড়ছে। গাম যেহেতু আমাদের একটি প্রয়োজনীয় দ্রব্য তাই বিক্রি বন্ধ করা যাবে না। তবে আমাদের এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। এটি যারা বিক্রি করেন তারা একটু সচেতন হলেই এ নেশা থেকে শিশুদের নিরাপদ রাখা সম্ভব। অন্যদিকে এসব গাম সেবনকারী পথশিশুদের স্বাভাবিক ভাবে ফিরিয়া আনায় সমাজ সেবার কোনো আওতায় পড়ে কিনা জানতে চাইলে চট্টগ্রাম সমাজ সেবা কার্যালয়ের অতিরিক্ত উপ পরিচালক মোঃ ওয়াহিদুল আলম বলেন, যেহেতু আমাদের কোনো পুলিশি কাজ নেই, সেই ক্ষেত্রে যদি জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশে চট্টগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এসব পথশিশুদের আইনের আওতায় এনে যদি আমাদের দেন তাহলে তাদের আমরা সংশোধন করার চেষ্টা করবো। স্থানীয়রা বলছেন, এভাবে পথশিশুরা যদি ধ্বংসের পথে চলে যায় তাহলে তাদের ভবিষ্যত খুবই অন্ধকার। এসব থেকে তারা বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ডের সাথে জড়িত হয়ে পড়ছে। আমরা এবং সংশ্লিষ্টরা যদি সচেতন হয়ে এসব পথশিশুদের সুপথে ফিরিয়ে আনতে পারি তাহলে তারা আলো পথে ফিরিয়ে আসবে বলে মনে করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ বিবিসি নিউজ ২৪
Theme Customized BY Theme Park BD